Wednesday, September 2, 2026
গল্প • ভাবনা • মানুষ
ব্রেকিং

আন্তর্জাতিক

ভারতীয়দের নিশানা করেই কি এইচ-১বি ভিসার ফি ১ লাখ ডলারের বেশি করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ভারতীয়দের নিশানা করেই কি এইচ-১বি ভিসার ফি ১ লাখ ডলারের বেশি করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

নতুন ফি ভারতীয়দের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রে এইচ-১বি ভিসার সুবিধাভোগীদের ৭০ শতাংশের বেশি ভারতীয়।

2026-08-24 21:29:00
ডার্ক ওয়েবে ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি বিক্রি, বড় বিপদের আশঙ্কা!

ডার্ক ওয়েবে ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি বিক্রি, বড় বিপদের আশঙ্কা!

ডার্ক ওয়েবে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি চাকরিপ্রার্থীর জীবনবৃত্তান্ত বিক্রির বিজ্ঞাপন ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ‘ম্যাডারক্স’ নামে পরিচয় দেওয়া একটি হ্যাকার গোষ্ঠী দাবি করেছে, তাদের হাতে বাংলাদেশের জনপ্রিয় চাকরির ওয়েবসাইট বিডিজবসের প্রায় ৬০ লাখ ব্যবহারকারীর সিভি রয়েছে। শাহজালাল/কেএসকে

2026-08-24 13:29:00
১০০ মিটার দৌড়ে উসাইন বোল্টের রেকর্ড ভাঙল চীনা রোবট

১০০ মিটার দৌড়ে উসাইন বোল্টের রেকর্ড ভাঙল চীনা রোবট

২০০৯ সালে একটি বিশ্ব রেকর্ড গড়েছিলেন জ্যামাইকার জনপ্রিয় দৌড়বিদ ও আটবারের অলিম্পিক স্বর্ণপদক বিজয়ী উসাইন বোল্ট। বার্লিন বিশ্ব অ্যাথলেটিকসে তিনি ৯.৫৮ সেকেন্ডে ১০০ মিটার পথ দৌড়েছিলেন।

2026-08-24 10:21:00
তুরস্কের দিকে চোখ রাঙাচ্ছে ইসরায়েল, যুদ্ধ কি সত্যিই আসছে?

তুরস্কের দিকে চোখ রাঙাচ্ছে ইসরায়েল, যুদ্ধ কি সত্যিই আসছে?

তুরস্ক ও ইসরায়েলের সম্পর্ক এখন বেশ উত্তপ্ত। অথচ একসময় তারা ছিল যথেষ্ট ঘনিষ্ঠ। তুরস্ক ছিল মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর মধ্যে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দিকের দেশগুলোর একটি। ১৯৪৯ সালে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশেষ করে ১৯৯০-এর দশকে তুরস্ক-ইসরায়েল সামরিক সহযোগিতা দ্রুত বাড়ে। যৌথ সামরিক মহড়া, প্রশিক্ষণ, গোয়েন্দা সহযোগিতা এবং অস্ত্র আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সূত্র: আল-জাজিরা, রয়টার্স, অ্যাক্সিওসকেএএ/

2026-08-22 21:56:00
বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিতের নীতি বাতিল মার্কিন আদালতে

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিতের নীতি বাতিল মার্কিন আদালতে

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত করার ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া নীতিকে বেআইনি ঘোষণা করে বাতিল করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত। বিচারক তার রায়ে বলেছেন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে নিজের আইনি ক্ষমতার অতিরিক্ত ব্যবহার করেছেন। ম্যানহাটনের ডিস্ট্রিক্ট জজ জ্যানেট ভার্গাস শুক্রবার (২১ আগস্ট) এক রায়ে জানান, পররাষ্ট্র দপ্তরের জানুয়ারি মাসে ঘোষিত এই নীতি ছিল ‘স্পষ্টত বেআইনি’। সূত্র: বিবিসি বাংলাকেএএ/

2026-08-22 15:42:00
ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলায় ‘নিষ্ক্রিয়’ দুই পরমাণু শক্তিধর দেশ

ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলায় ‘নিষ্ক্রিয়’ দুই পরমাণু শক্তিধর দেশ

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা দুই পরমাণু শক্তিধর দেশের সামরিক সক্ষমতাকে ‘নিষ্ক্রিয়’ করে দিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে শক্তির ভারসাম্য ইসলামি প্রজাতন্ত্র ও প্রতিরোধ অক্ষের দিকে আসার দাবি করেছেন তেহরানের অন্তর্বর্তীকালীন জুমার খতিব মোহাম্মদ হাসান আবুতোরাবি ফার্দ। সূত্র: মেহের নিউজ এজেন্সি কেএম

2026-08-21 23:07:00
পিৎজা খেতে খেতে ইমরান হাশমি জানলেন ছেলের ক্যানসার

পিৎজা খেতে খেতে ইমরান হাশমি জানলেন ছেলের ক্যানসার

বলিউড অভিনেতা ইমরান হাশমির সিনেমা ‘আওয়ারাপান ২’ বক্স অফিসে সাফল্য পাওয়ার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে তার ক্যারিয়ার। তবে এই সাফল্যের মাঝেও জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়ের স্মৃতি মনে করেছেন অভিনেতা। ছেলের ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াইয়ের সেই করুণ অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন তিনি। আরও পড়ুন সত্যিই কি সম্পত্তি দান করে দিয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন? ইমরান জানান, ২০১৪ সালের ১৩ জানুয়ারি পরিবারের সঙ্গে বিকেলে পিৎজা খাচ্ছিলেন তিনি। তখন তার তিন বছর বয়সী ছেলে আয়ান হাশমির প্রস্রাবে রক্ত দেখতে পান। বিষয়টি দেখে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে ছুটে যান তারা। মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই জানতে পারেন, আয়ানের কিডনিতে প্রাথমিক পর্যায়ের ক্যান্সার ধরা পড়েছে। ইমরানের ভাষ্য অনুযায়ী, সেই মুহূর্তে যেন মুহূর্তের মধ্যেই বদলে যায় তাদের জীবন। পরদিনই আয়ানকে অস্ত্রোপচারের জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও কেমোথেরাপি। ছেলের চিকিৎসাকে ঘিরে টানা কয়েক বছর মানসিক উদ্বেগ ও কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যেতে হয় পুরো পরিবারকে। অবশেষে দীর্ঘ পাঁচ বছরের চিকিৎসার পর ২০১৯ সালে আয়ানকে ক্যান্সারমুক্ত ঘোষণা করা হয়। ছেলের এই কঠিন লড়াই এবং ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প পরে বইয়ের পাতায়ও তুলে ধরেন ইমরান হাশমি। তার লেখা ‘দ্য কিস অব লাইফ: হাউ আ সুপারহিরো অ্যান্ড মাই সান ডিফিটেড ক্যান্সার’ বইয়ে উঠে এসেছে সেই সংগ্রামের নানা অধ্যায়। আরও পড়ুন ‘বাবাজি, আমার যৌবন নিয়ে স্বপ্ন দেখা বন্ধ করুন’, রামদেবকে কঙ্গনা ছেলের ক্যান্সারের খবর পাওয়ার মুহূর্ত থেকে শুরু করে দীর্ঘ চিকিৎসা ও সুস্থ হয়ে ওঠার যাত্রা- ইমরানের জীবনের এই অধ্যায় তার কাছে আজও অত্যন্ত আবেগঘন। ছেলের লড়াই তাকে জীবনের প্রতি নতুনভাবে তাকাতেও শিখিয়েছে। এলআইএ

2026-08-20 15:24:00
আগস্টেই ৬ মিনিট অন্ধকারে ডুবে থাকবে পৃথিবী, কী করবেন তখন?

আগস্টেই ৬ মিনিট অন্ধকারে ডুবে থাকবে পৃথিবী, কী করবেন তখন?

ধরুন অন্যান্য দিনের মতোই আপনি অফিসের কাজে ব্যস্ত কিংবা ঘরের কোনো কাজ করছেন। কিংবা হতে পারে কোথাও যাচ্ছেন গাড়িতে বা বাসে করে। রৌদ্রজ্জ্বল একটি দিন, কোনো নতুন কিছু নয়। অন্যান্য দিনের মতোই একটি দিন। তবে যদি এমন হয়, দিনের বেলা হঠাৎ করেই আকাশের আলো ম্লান হয়ে গেল। সূর্যের চারপাশের উজ্জ্বলতা একে একে হারিয়ে যাচ্ছে, চারদিকে নেমে আসছে রাতের মতো অন্ধকার। আবার কয়েক মিনিট পর আবার আলো ফিরেও এলো। তাহলে আপনি কি করবেন। সূত্র: সিএনএন, টাইমস অব ইন্ডিয়া কেএসকে

2026-08-20 12:51:00
বাবার মৃত্যুর পর প্রথম গোল করলেন মেসি

বাবার মৃত্যুর পর প্রথম গোল করলেন মেসি

বাবার মৃত্যুর পর দ্রুতই আর্জেন্টিনা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসেন লিওনেল মেসি। নেমে যান ইন্টার মিয়ামির জার্সিতেও। তবে গোলের দেখা পাননি সেই ম্যাচে। বাবা হোর্হে মেসির মৃত্যুর পর প্রথম গোলের দেখা পান মেসি বৃহস্পতিবার ভোরে ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের বিপক্ষে। গত ৮ আগস্ট আর্জেন্টিনার রোজারিওতে আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি মেসির বাবা মারা যান ৬৮ বছর বয়সে। বাবার মৃত্যুর পর চলতি সপ্তাহেই আবেগঘন একটি বার্তা দেন মেসি। সেখানে নিজের দীর্ঘ ক্যারিয়ারের পেছনে বাবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা স্মরণ করেন তিনি। একই সঙ্গে বাবার শারীরিক অবস্থার অবনতির সময় সাম্প্রতিক ফিফা বিশ্বকাপে খেলতে গিয়ে নিজের মানসিক সংগ্রামের কথাও তুলে ধরেন। বুধবার সুবরু পার্কে ম্যাচের একপর্যায়ে বাঁ পায়ের শটে গোল করে ইন্টার মায়ামিকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন মেসি। গোলের পর সতীর্থরা তাকে জড়িয়ে ধরেন। যদিও ম্যাচটি ড্র হয় ২-২ গোলে। এমএলএস কাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন মায়ামি এই ম্যাচের আগে টানা তিন ম্যাচে হেরেছিল। মেসির এই গোলটি চলতি মৌসুমে তার ১৩তম। এর ফলে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে ডালাসের স্ট্রাইকার পেতার মুসার চেয়ে মাত্র এক গোল পিছিয়ে আছেন তিনি। গত মৌসুমে এই পুরস্কার জিতেছিলেন মেসি। আইএন

2026-08-20 09:53:00
মানুষের আগেই পৃথিবীতে রাজত্ব ছিল মশার!

মানুষের আগেই পৃথিবীতে রাজত্ব ছিল মশার!

আজ মশা দিবস। শুনতে খানিকটা অদ্ভুত লাগতে পারে। যে মশার জন্যও একটা দিন রাখা হয়েছে। তারা কি এদিনে তাদের অধিকারের দাবিতে সেমিনার, সংবাদ সম্মেলন করে নাকি! এসব কথা অনেকেই মজা করে বলে থাকেন। তবে আসলে মশা দিবসের উদ্দেশ্য হচ্ছে মশাবাহিত রোগ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা, মশার বিস্তার রোধ করা, এবং ব্রিটিশ চিকিৎসক স্যার রোনাল্ড রসের ঐতিহাসিক ম্যালেরিয়া আবিষ্কারকে সম্মান জানানো। মশা পৃথিবীর অন্যতম ভয়ংকর ও প্রাণঘাতী প্রাণী। এর কামড়ে প্রতি বছর বিশ্বে লাখ লাখ মানুষ মারা যায়। সিংহ, বাঘ বা হাঙরের মতো বড় হিংস্র প্রাণীর চেয়েও মশার মাধ্যমে ছড়ানো রোগ মানুষের জন্য বহুগুণ বেশি বিপজ্জনক। জানেন কি, এই মশা কিন্তু মানুষের আগে থেকেই পৃথিবীতে আছে। আধুনিক মশা যে কিউ-লিসী-ডি পরিবারভুক্ত, তাদের জীবাশ্মের প্রমাণ অন্তত প্রায় ১০ কোটি বছরের পুরোনো। অর্থাৎ মানুষ আসার অনেক আগেই মশার পূর্বপুরুষ পৃথিবীতে বিচরণ করছিল। মজার বিষয় হচ্ছে ডাইনোসরের সময়েও মশা ছিল? এমনকি মশার প্রাচীন প্রজাতির জীবাশ্ম (ক্রিটেসিয়াস যুগের) অ্যাম্বারে মোড়ানো অবস্থায় মিয়ানমারের কাচিন অঞ্চলে পাওয়া গেছে। তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা জরুরি। আজকের দিনে যে মশাগুলো আমরা দেখি, তারা হুবহু সেই সময়ের মশা নয়। কোটি কোটি বছর ধরে বিবর্তনের মাধ্যমে মশার বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত হয়েছে। ফলে প্রাচীন মশা ও আধুনিক মশার মধ্যে পার্থক্য থাকলেও তাদের মধ্যে বিবর্তনীয় সম্পর্ক রয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে ডাইনোসরের সময়েও কি মশা ছিল? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বিজ্ঞানীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হলো অ্যাম্বারে সংরক্ষিত জীবাশ্ম। গাছের আঠালো রেজিনে আটকে যাওয়া ছোট ছোট প্রাণী ও পতঙ্গ কোটি কোটি বছর ধরে সেই রেজিনের মধ্যে সংরক্ষিত হয়ে পরে অ্যাম্বারে পরিণত হয়েছে। এসব অ্যাম্বারের ভেতর পাওয়া পতঙ্গের দেহ দেখে বিজ্ঞানীরা প্রাচীন পৃথিবীর জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে ধারণা পেয়েছেন। মশাসদৃশ প্রাচীন পতঙ্গের এমন জীবাশ্মও পাওয়া গেছে। ফলে বলা যায়, মশার বংশের ইতিহাস মানুষের ইতিহাসের তুলনায় অবিশ্বাস্য রকম পুরোনো। তবে একটি প্রচলিত ধারণা নিয়ে সতর্ক থাকা দরকার ডাইনোসরদের রক্ত খেয়ে মশা বেঁচে থাকত, এমন সরাসরি প্রমাণ নেই। জনপ্রিয় সিনেমা বা গল্পে ডাইনোসরের রক্ত খাওয়া মশার কল্পকাহিনি দেখা গেলেও বাস্তব বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এতটা সরল নয়। প্রাচীন মশার খাবার ও আচরণ সম্পর্কে অনেক তথ্যই এখনো গবেষণার বিষয়। মশার সবচেয়ে বড় শক্তি সম্ভবত তাদের অসাধারণ অভিযোজন ক্ষমতা। পৃথিবীর জলবায়ু বহুবার বদলেছে। বরফযুগ এসেছে, উষ্ণ সময় এসেছে, সমুদ্রের স্তর পরিবর্তিত হয়েছে, অসংখ্য প্রাণী বিলুপ্ত হয়েছে। ডাইনোসরও প্রায় ৬ কোটি ৬০ লাখ বছর আগে পৃথিবী থেকে হারিয়ে গেছে। কিন্তু মশার বংশ টিকে গেছে। আরও পড়ুন ৮ বছর আগে ফটোগ্রাফারের করা এক ভুল, সৃষ্টি শ্রেষ্ঠ ছবিটির এর একটি কারণ তাদের জীবনচক্র। মশার প্রজননের জন্য বিশাল কোনো জলাশয়ের প্রয়োজন হয় না। অল্প পরিমাণ জমে থাকা পানিও অনেক প্রজাতির মশার জন্য ডিম পাড়ার উপযুক্ত জায়গা হয়ে উঠতে পারে। ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, ড্রেন কিংবা কোনো ছোট পানির আধারেও তাদের জীবনচক্র শুরু হতে পারে। মশার জীবনচক্রও বেশ দ্রুত। ডিম থেকে লার্ভা, এরপর পিউপা এবং শেষে পূর্ণাঙ্গ মশায় পরিণত হয়। পরিবেশের উপযোগী পরিস্থিতি পেলে এই পুরো প্রক্রিয়া তুলনামূলক অল্প সময়েই সম্পন্ন হতে পারে। ফলে প্রজন্মের পর প্রজন্ম দ্রুত তৈরি হওয়ার সুযোগ পায়। মানুষের বিবর্তন ও বিস্তারের সময়কাল মশার ইতিহাসের তুলনায় অত্যন্ত সাম্প্রতিক। আধুনিক মানুষের আবির্ভাব প্রায় ৩ লাখ বছর আগে। তার কয়েক কোটি বছর আগে পৃথিবীর জীবজগতে নানা ধরনের পতঙ্গের বিকাশ ঘটেছিল। অর্থাৎ পৃথিবীর ইতিহাসকে যদি একটি বিশাল বই হিসেবে কল্পনা করা হয়, তাহলে মানুষের অধ্যায়টি এসেছে একেবারে শেষের দিকের পাতায়। মশার গল্প শুরু হয়েছে তার অনেক আগে। এ কারণেই ‘মানুষের আগেই পৃথিবীতে মশার রাজত্ব ছিল’ কথাটি আক্ষরিক অর্থে নয়, বরং মশার দীর্ঘ অস্তিত্ব বোঝাতে ব্যবহার করা যায়। তারা পৃথিবীর সবচেয়ে পুরোনো জীবদের মধ্যে না হলেও, মানুষের তুলনায় তাদের ইতিহাস যে অবিশ্বাস্যভাবে দীর্ঘ এ নিয়ে সন্দেহ নেই। আজকের পৃথিবীতে মশা শুধু বিরক্তির কারণ নয়। কিছু প্রজাতি ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, জিকা, ইয়েলো ফিভার ও অন্যান্য রোগের জীবাণু মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পারে। ফলে আকারে কয়েক মিলিমিটারের এই প্রাণীটি মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে সক্ষম। তবে প্রকৃতির দৃষ্টিতে মশার ভূমিকা শুধু রোগ ছড়ানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। মশার লার্ভা জলজ খাদ্যশৃঙ্খলের অংশ এবং পূর্ণাঙ্গ মশাও বিভিন্ন প্রাণীর খাদ্য হতে পারে। কিছু মশা ফুলের মধু ও উদ্ভিদের রস খায় এবং পরাগায়নেও ভূমিকা রাখতে পারে।তাই মশাকে শুধু মানুষের শত্রু হিসেবে দেখলেই হবে না পরিবেশে তাদের ভূমিকাও অস্বীকার করা যায় না। কেএসকে

1970-01-01 00:00:00

ব্রেকিং নিউজ ইমেইলে পান

গুরুত্বপূর্ণ আপডেট ও নতুন সংবাদ পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।